শনিবার সন্ধ্যা ৬:২৪ ৮ই আগস্ট, ২০২০ ইং ১৮ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী বর্ষাকাল
বাংলাদেশ

মৌলভীবাজার জেলা যুবদল নেতা সন্ত্রাসী হামলায় নিহত

আপডেটঃ

স্টাফ রিপোর্টার:  সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে ৯ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে বৃহস্পতিবার রাতে মারা গেলেন মৌলভীবাজার জেলা যুবদল নেতা জগলুল হক মতিন (৪৫)। জানা যায়  সন্ত্রাসী হামলার শিকার হয়ে ৯ দিন সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে বৃহস্পতিবার ভোর রাতে তার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছেন তার রাজনৈতিক সহকর্মী, স্থানীয়বাসিন্দা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছেন তার নিজ গ্রাম ও এলাকার বাসিন্দারা। জগলুল হক মতিন মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নের বেকামুরা পাটানটুলা গ্রামের আরিফুল হকের ছেলের। ৪ ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট। তিনি জেলা যুবদলের সক্রিয় নেতা ও সাবেক জেলা ছাত্রদলের অন্যতম সদস্য ছিলেন।  নিজ এলাকায় তরুণ সমাজ সেবক হিসেবে তার যথেষ্ট সুনাম ও পরিচিতি ছিল।
তিনি ৪ মেয়ে ও ১ ছেলে সন্তানের জনক। বৃহস্পতিবার বাদ মাগরিব পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হয়।  জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বল জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে বলেন আমরা এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানাচ্ছি। একটি মানুষ নিরাপদে তার ঘরে ফিরতে পারবে না এটি স্বাধীন দেশের আইনের শাসন হতে পারে না। আখাইলকুড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম আহমেদ বলেন জগলুল হক মতিন এলাকায় পরপোকারী ও ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত। তাকে এমন নির্মমভাবে হত্যা শিকার হতে হবে তা কোন ভাবেই কাম্য নয়। আমরা তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানাচ্ছি। মৌলভীবাজার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদেরকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। উল্লেখ্য, গত ২২শে জুন সোমবার জগলুল হক মতিন মৌলভীবাজার জেলা সদর থেকে বাড়ি ফেরার পথে রাতের আঁধারে সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তার উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেটে প্রেরণ করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
error: Content is protected !!
Close
Close